প্রত্যেক মসজিদে শিবলিঙ্গ খোঁজার দরকারটা কী: প্রশ্ন আরএসএস প্রধানের

প্রকাশিত: জুন ৩, ২০২২; সময়: ৩:৫২ অপরাহ্ণ |

ভারতের মসজদিগুলোয় শিবলিঙ্গ খোঁজার প্রয়োজন কি, তা জানতে চান দেশটির হিন্দু জাতীয়তাবাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) নাগপুরে এক সভায় এ প্রশ্ন করেন ভাগবত।

সম্প্রতি কাশীর জ্ঞানবাপী মসজিদে পুজাপাঠ ও মথুরার শাহি ঈদগা সরানোর দাবিতে ভারতের হিন্দুত্ববাদীদের একাংশের সরব কার্যকলাপ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়েই এ প্রশ্ন করেন ভাগবত।

এ সময় মন্দির-মসজিদ বিতর্কে পারস্পরিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে উপায় বের করার ওপর জোর দেন তিনি।

ভারতীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

খবরে বলা হয়, উত্তর প্রদেশের বারাণসীতে জ্ঞানবাপী মসজিদ বিতর্কে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত।

নাগপুরের সভায় তিনি বলেন, কিছু ধর্মীয় স্থান মানুষের মনে বিশেষ ভক্তি থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাই বলে প্রতিদিনই নতুন নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করতে হবে কেন? প্রত্যেক মসজিদেই কেন শিবলিঙ্গ খোঁজা হবে?
জ্ঞানবাপী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো ইতিহাস পরিবর্তন করে ফেলা যায় না।

আজকের কোনো হিন্দু বা মুসলমান কাশীর জ্ঞানবাপী মসজিদ তৈরি করেনি। বহিরাগতদের মাধ্যমে এ দেশে ইসলাম এসেছিল। দেশের স্বাধীনতাকামীদের মনোবল নষ্ট করতে কিছু স্থাপনা ভাঙা হয়েছিল।

এ সময় মুসলিমদের মুনি-ঋষি ও ক্ষত্রিয়দের বংশধর বলে আখ্যা দেন আরএসএস প্রধান। তিনি বলেন, ওরা হয়তো অন্য ধরনের উপাসনা করেন। কিন্তু তারা আমাদেরই লোক। এ সময় সবাইকে আদালতের সিদ্ধান্ত মেনে চলার আহ্বান জানান ভাগবত।

জ্ঞানবাপী ছাড়াও বিতর্ক হচ্ছে কুতুব মিনার ও তাজমহল নিয়ে। কুতুব মিনারে পুজাপাঠ আর তাজমহলের প্রকৃত সত্য জানতে আরেক দল সরব অবস্থানে রয়েছে। এ নিয়ে সমাজে ‘ঝামেলা’ সৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। যদি তা হয়, দায় আসতে পারে ক্ষমতাসীন বিজেপির ওপর। এসব এড়াতেই মূলত মোহন ভাগবত সবাইকে আদালতের সিদ্ধান্ত মেনে চলতে আহ্বান জানান।

ডিজাইন ও কারিগরি: চট্টগ্রাম লাইভ
উপরে